প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে জেলা পর্যায়ের প্রকল্প উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
 ছবি:
ছবি:

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে জেলা পর্যায়ের প্রকল্প উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত

আজ (৬ আগস্ট ২০২৬) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে “Access to and Utilization of Lifesaving Services by Marginalized Communities in Chittagong Hill Tracts in Bangladesh” শীর্ষক প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী সভা বান্দরবান জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পটি হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল (HKI)-এর আর্থিক সহায়তায় তহজিংডং কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো বান্দরবান পার্বত্য জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াশ (পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি) এবং জীবিকায়ন সেবায় প্রবেশাধিকার ও ব্যবহার বৃদ্ধি করা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই, চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এস. এম. খালেদুল আহসান, টিম লিডার, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল (HKI) এবং জনাব চিং সিং প্রু, নির্বাহী পরিচালক, তহজিংডং। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, তহজিংডং, এফআইভিডিবি (FIVDB)-এর প্রকল্প কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজন সভায় অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে তহজিংডং-এর প্রকল্প সমন্বয়কারী এস. এম. জাফরুল্লাহ শামসুল প্রকল্পের উদ্দেশ্য, প্রধান কার্যক্রম এবং বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। তহ্জিংডং ও হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিবৃন্দ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে মূল্যবান মতামত, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বান্দরবানের দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকার শিশু, মা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নত পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, জীবিকায়নের সুযোগ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সকল অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় উল্লেখ করা হয় যে, প্রকল্পটি ৬–৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, তীব্র অপুষ্টি (SAM) ও মাঝারি অপুষ্টি (MAM) আক্রান্ত শিশুদের সেবা প্রদান, টেকসই জীবিকায়নের সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যবিধি চর্চার উন্নয়ন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত